তাজবীদ কাকে বলে? তাজবীদ অর্থ কি

তাজবীদ কাকে বলে? তাজবীদ অর্থ কি

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু আশা করি বন্ধুরা আপনারা সবাই ভাল আছেন তো বন্ধুরা আজকে আমার এই আর্টিকেলে আপনাদের বলব। তাজবীদ কাকে বলে। তাজবীদ অর্থ কি

তাজবীদ কাকে বলে

তাজবীদ কাকে বলে

প্রত্যেকটা হরফ-কে সঠিক মাখরাজ থেকে পূর্ণ ছিফাত সহকারে আদায় করাকে ‘তাজবীদ’ বলে। তাজবীদ রক্ষা করে কুরআন পাঠ করা ফরয।

তাজবীদ অর্থ কি

তাজবীদ শব্দের অর্থ হলো: সুন্দর করা বা সাজানো।

তাওহীদ

সহি-শুদ্ধভাবে কোরআন পড়তে হলে যে সব নিয়ম প্রয়োজন হয়,সে সব নিয়মকে তাজবীদ বলা হয়।

আলিফ (ا):

আলিফ দ্রুত পড়তে হয়। কোরআন শরীফে ২ রকমের আলিফ পাওয়া যায়। একটি খাড়া কলমের মত দেখতে।

আরেকটি খাড়া দাগের নীচে ডানে টান থাকে। ‘আলিফে’র সাথে ( َا) হরকত, তানবীন বা সুকুন যুক্ত হলে ‘আলিফ’ তখন ‘হামজা’ হয়।হামজা হলকের শুরু হতে শক্তভাবে পড়তে হয়।

মীম (م):

মীম একটু দীর্ঘ টানে পড়তে হয় (মীইইইইম)।

শরীফে মীম ২ রকমের কোরআন পাওয়া যায়।

দাদুর লাঠির মত দেখতে যেটি, সেটিকে মীইইইম বলা হয়।

আর গোলের বাঁয়ে টান থাকে যেটি, সেটিকেও মীইইইইম পড়তে হয় (مّمّم)।

মীইইইম উচ্চারণের সময় নাকে টান রাখতে হয়।

লাম (ل):

লাম মীমের মতই টেনে পড়তে হয় (লাআআআম)।

কোরআন শরীফে লাম ৩ রকমের পাওয়া যায়।

একটি মাছ ধরা বরশির মত দেখতে।

খাড়া দাগের নীচে বাঁ দিকে টান যেটির, সেটিও লাআআআম হয়,

আরেকটি খাড়া দাগের নীচে ডান-বাঁম ২দিকেই টান থাকে (لّلّل)।

নুন (ن):

নুনও দীর্ঘ টানে পড়তে হয় (নুউউউউন)।

কোরআন শরীফে নুন ২ রকমের পাওয়া যায়।

একটি চাঁদের মত দেখতে তার ওপর একটি ফোটা থাকে।

অপরটি খাড়া দাগের ওপর একটি ফোটা থাকে (نّنّن)।

বা (ب):

মাছ ধরা নৌকার মত দেখা যায় এবং নিচে এক ফোঁটা থাকে।

এছাড়া কোরআন শরীকে আরও ২ রকমের বা দেখা যায়।

প্রথমটি একটি দাগের নীচে বাঁয়ে টান ও তার নীচে এক ফোঁটা এবং

একটি দাগের নীচে ডানে-বাঁয়ে ২দিকে টান তার নীচে এক ফোঁটা (بّبّب)।বা একটু টেনে পড়তে হয় (বাআআআআ)।

তা (ت):

মাছ ধরা নৌকার মত দেখা যায় এবং ওপরে ২টি ফোঁটা থাকে।

এছাড়া কোরআন শরীকে আরও ২ রকমের তা দেখা যায়।

প্রথমটি একটি দাগের নীচে বাঁয়ে টান ও তার ওপরে ২টি ফোঁটা এবং

একটি দাগের নীচে ডানে-বাঁয়ে ২দিকে টান তার ওপরে ২টি ফোঁটা (تّتّت)।

তা একটু টেনে পড়তে হয় (তাআআআআ)।

ছা (ث):

মাছ ধরা নৌকার মত দেখা যায় এবং ওপরে ৩টি ফোঁটা থাকে।

এছাড়া কোরআন শরীকে আরও ২ রকমের ছা দেখা যায়।

প্রথমটি একটি দাগের নীচে বাঁয়ে টান ও তার ওপরে ৩টি ফোঁটা এবং

একটি দাগের নীচে ডানে-বাঁয়ে ২দিকে টান তার ওপরে ৩টি ফোঁটা (ثّثّث)।

ছা একটু টেনে পড়তে হয় (ছাআআআআ)। ছা জিহ্বার আগা থেকে নরম ভাবে উচ্চারণ করতে হয়।

আরো পড়ুন

Similar Posts

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.